আফিফ-মিরাজ ছাড়া যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স , কোনমতে মানরক্ষার জয় বাংলাদেশের

আফিফ-মিরাজ ছাড়া যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স , কোনমতে মানরক্ষার জয় বাংলাদেশের

আরব আমিরাতের সাথে ম্যাচটি আর্ন্তজাতিক টি-টোয়েন্টি হলেও মূলত প্রস্তুতির স্বার্থেই এমন সিরিজ আয়োজন। কিন্তু সেই প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ দলের অবস্থা যেন বেহাল। টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং ছিল হতাশায় ভরপুর। 

 

 

শুরুতেই সাব্বির রহমান আবার স্কুপ দিয়ে শুরু করতে চেয়েছেন। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী যেটি ছিল অপ্রয়োজনীয়। ৩ বলে ০ রান করে ফিরে যান তিনি। এরপর তিন নম্বরে নামা লিটন দাসও নিজের নামের সাথে একেবারেই সুবিচার করতে পারেননি বরং ক্যাজুয়াল শট খেলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন প্যাভিলিয়নে। 

মাত্র ৮ বলে ১৩ রান করেন তিনি। এরপর মেহেদী মিরাজও চরম অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে নিস্তার পান ১৪ বলে ১২ রান করে আউট হয়ে। এরপর ত্রাতা হয়ে আসেন আফিফ হোসেন ধ্রুব৷ আফিফের ৫৫ বলে ৭৭ রান বাংলাদেশের সম্মান বাঁচিয়েছে বৈকি। 

মোসাদ্দেক সৈকত এবং ইয়াসির রাব্বি প্রতিপক্ষের স্পিন সামলাতেই হিমশিম খেয়েছেন।  আরব আমিরাতের মত দ্বিতীয় সারির দলের বোলারদের মোকাবিলার মত সামর্থ্যও দেখাতে পারেননি এই দুইজন। 

গুগলি পড়তে না পরে ইয়াসির রাব্বি ফিরে যান ৭ বলে ৪ রান করে। একই লেগ স্পিনে বিদ্ধ হয়ে ফিরে যান মোসাদ্দেক সৈকত। তিনি করেছেন ৮ বলে ৩ রান। শেষদিকে সোহানের ২৫ বলে ৩৫ রান বাংলাদেশকে ১৫৮ রানের পুঁজি দিয়েছে। 

১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই ওভার প্রতি দারুন রান করতে থাকেন আরব আমিরাতের ক্রিকেটাররা। মুস্তাফিজুর রহমানের ওভারে তিন বাউন্ডারি মেরে ম্যাচে দারুনভাবে টিকে থাকে আরব আমিরাত। ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রায় জয় তুলে নেয় আরব আমিরাত। 

শেষ তিন ওভারে মাত্র দুই উইকেটে ৩৬ রান করার কাছাকাছি পৌছে মাত্র ৭ রানে ম্যাচটি হেরে যায় আরব আমিরাত। বোলিংয়ে শরিফুল এবং মেহেদী মিরাজ ছাড়া বাকিরা ছিলেন ছন্নছাড়া। ক্যাচিংয়ে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স ছিল নাজুক তম। 

তবে মুস্তাফিজুর রহমান নতুন কিছু করবার চেষ্টা করছিলেন আজ। প্রধান অস্ত্র কাটার এবং স্লোয়ার না দিয়ে বেশিরভাগই লেন্থে বাউন্স আদায় করতে জোরে বল করবার চেষ্টা করেছেন। ৪ ওভার বোলিং করে ৩০ রান দিয়ে ২ টি উইকেট নেন তিনি। স্পিনারদের মধ্যে নাসুম আহমেদ ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩১ রান দিয়ে কোন উইকেট পাননি। 

2022/09/26, 07:15:39pm